বিয়ের খরচ সামাল দিতে অনেকে অফিস থেকে আগাম বেতন তুলে নিচ্ছেন, কেউ কেউ নিচ্ছেন ব্যাংক ঋণ। তারপর ঋণ শুধতে গিয়ে হচ্ছেন গলদঘর্ম তাঁরা।
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে দুই বন্ধুর আলাপচারিতা। একজন আগামী ডিসেম্বরে বিয়ে করবেন, হাতে টাকা পয়সা নেই। জানতে চাইছেন ব্যাংক ঋণ পাওয়া যাবে কি না। অন্য বন্ধু বলছেন তাঁর তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। বিয়ের সময় ঝোঁকের বশে ঋণ নিয়ে তিনি কী সীমাহীন দুর্গতিতেই না পড়েছেন। বিয়ের দুই বছর পরও দেনা শোধ হয়নি।
বাংলাদেশের মধ্যবিত্তদের জন্য বিয়ে মানেই সামাজিকতা, জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান। কিন্তু বিয়ের আংটি থেকে শুরু করে বিয়ের খাওয়া-দাওয়া পর্যন্ত সবকিছুর খরচই কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় তাঁরা পড়েছেন বিপাকে।
গত ১০ বছরে বাংলাদেশে চাল, ডাল, তেল, লবণসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়ায় মানুষের যেমন নাভিশ্বাস উঠেছে, তেমনি বিয়ের খরচ সামাল দিতে গিয়ে সদ্যবিবাহিতরা পড়ছেন বিপদে। অনেকে অফিস থেকে আগাম বেতন তুলে নিচ্ছেন, কেউ কেউ নিচ্ছেন ব্যাংক ঋণ। তারপর ঋণ শুধতে গিয়ে হচ্ছেন গলদঘর্ম তাঁরা।
একজন ভুক্তভোগী নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘একটু জাঁকজমক করে বিয়ে করতে চেয়েছিলাম বলে বেশ ভালো অঙ্কের টাকা ঋণ নিলাম। বিয়ের পর খাওয়া-দাওয়া, বাড়িভাড়া, ঘোরাফেরায় কত খরচ হবে—এমন একটা হিসাবও করে ফেললাম। কিন্তু প্রতি মাসেই বাজেট ফেল। এ মাসে পানির কল নষ্ট, তো ও মাসে বিদ্যুত্ বিল বেশি আসে, পরের মাসে হয়তো কিনতে হলো জন্মদিন বা বিয়ের উপহার।’ কোনো দিকে আর কূল দেওয়া যায় না।
কোথায় কত বাড়ল
গত ১০ বছরে বিয়ের প্রধান অনুষঙ্গ সোনার গয়নার দাম বেড়েছে। এই বাড়ার হার আট গুণেরও বেশি। তবু সামাজিকতা করতে হয় বলে কোনো না কোনোভাবে মানুষ গয়নার ব্যবস্থা করতে বাধ্য হচ্ছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান আমিনুল ইসলাম প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘একটি বিয়েতে পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার দিলে বছর দশেক আগে ৫০ হাজার টাকার কম খরচ হতো। এখন ওই গয়না দিতে খরচ হয় আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা। মুখ রক্ষার জন্য অভিভাবকেরা এর ব্যবস্থা করেন।
গয়নার পাশাপাশি বেড়েছে শাড়ির দাম। বেনারসিপল্লির শাড়ি বিক্রেতারা বলেন, মধ্যবিত্তরা যে ধরনের শাড়ি কেনেন বিয়েতে, তার দাম ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ বেড়েছে। বেড়েছে খাবারের খরচ আর কমিউনিটি সেন্টারের ভাড়াও।
পল্টনের ‘আনন্দ ভবন’ কমিউনিটি সেন্টারের ব্যবস্থাপক কামাল হাসান জানান, আট-দশ বছর আগে ২০০ অতিথির জন্য অনুষ্ঠান করতে খরচ হতো ২৫ হাজার টাকা, এখন খরচ পড়ছে ৪৬ হাজার টাকা। আর খাবারের খরচও হয়েছে দ্বিগুণ। ওই কমিউনিটি সেন্টারের বাবুর্চি মোহাম্মদ বিল্লাল বলেন, ১০০ জনের খাওয়ার খরচ ৩০-৩৫ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৫০-৫৫ হাজার টাকা।
মুক্তির উপায় কী
বিয়ের খরচ নিয়ে বাংলাদেশের মতো ভুগছেন চীনের নাগরিকেরাও। তাঁরা এখন সমাধান খুঁজছেন। এ বছরের জুনে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে চীনের ফিন্যান্সিয়াল প্ল্যানিং স্ট্যান্ডার্ড বোর্ডের চেয়ারম্যান ফেং লুই বলেন, ‘বিয়েতে বিপুল অঙ্কের টাকা খরচ করাটা একটা বোকামি। যে টাকাটা খরচ হচ্ছে, সেটা জমিয়ে রেখে পরবর্তী সময়ে একটা বাড়ি করা, ইনস্যুরেন্স করা কিংবা বুড়ো বয়সের জন্য স্রেফ জমিয়ে রাখা যায়।’
চীনের লোকজন এখন নতুন ধরনের পরিকল্পনা করছে বিয়ে নিয়ে। অনেকে বিয়েটা নিবন্ধন করে বন্ধুবান্ধব নিয়ে ছোটখাটো পার্টি দিচ্ছেন, মেন্যু থেকে দামি সব খাবার বাদ দিয়ে সুস্বাদু কিন্তু কম খরচের খাবারের দিকে ঝুঁকছেন। যুক্তরাজ্যের দৈনিক গার্ডিয়ানের ফিচার লেখক হ্যাডলি ফ্রিম্যান এক পাঠকের প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, যা কিছু পরতে আরামদায়ক, বিয়েতে তা-ই পরা উচিত। কে কী ভাবল, তা না ভাবলেই চলে।
বাংলাদেশে এখনো মধ্যবিত্তরা বিয়ের অনুষ্ঠান করেন জাঁকজমকের সঙ্গে। সাময়িকভাবে অর্থ জোগান দিতে ব্যাংক রয়েছে। বেশ কিছু ব্যাংক এক থেকে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিচ্ছে, কিন্তু সে জন্য গুনতে হচ্ছে ১৬ থেকে ১৯ শতাংশ সুদ। তাঁরা কী আদৌ চীনের পথ বা হ্যাডলি ফ্রিম্যানের পরামর্শ নেবেন?
বাংলাদেশের মধ্যবিত্তদের জন্য বিয়ে মানেই সামাজিকতা, জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান। কিন্তু বিয়ের আংটি থেকে শুরু করে বিয়ের খাওয়া-দাওয়া পর্যন্ত সবকিছুর খরচই কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় তাঁরা পড়েছেন বিপাকে।
গত ১০ বছরে বাংলাদেশে চাল, ডাল, তেল, লবণসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়ায় মানুষের যেমন নাভিশ্বাস উঠেছে, তেমনি বিয়ের খরচ সামাল দিতে গিয়ে সদ্যবিবাহিতরা পড়ছেন বিপদে। অনেকে অফিস থেকে আগাম বেতন তুলে নিচ্ছেন, কেউ কেউ নিচ্ছেন ব্যাংক ঋণ। তারপর ঋণ শুধতে গিয়ে হচ্ছেন গলদঘর্ম তাঁরা।
একজন ভুক্তভোগী নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘একটু জাঁকজমক করে বিয়ে করতে চেয়েছিলাম বলে বেশ ভালো অঙ্কের টাকা ঋণ নিলাম। বিয়ের পর খাওয়া-দাওয়া, বাড়িভাড়া, ঘোরাফেরায় কত খরচ হবে—এমন একটা হিসাবও করে ফেললাম। কিন্তু প্রতি মাসেই বাজেট ফেল। এ মাসে পানির কল নষ্ট, তো ও মাসে বিদ্যুত্ বিল বেশি আসে, পরের মাসে হয়তো কিনতে হলো জন্মদিন বা বিয়ের উপহার।’ কোনো দিকে আর কূল দেওয়া যায় না।
কোথায় কত বাড়ল
গত ১০ বছরে বিয়ের প্রধান অনুষঙ্গ সোনার গয়নার দাম বেড়েছে। এই বাড়ার হার আট গুণেরও বেশি। তবু সামাজিকতা করতে হয় বলে কোনো না কোনোভাবে মানুষ গয়নার ব্যবস্থা করতে বাধ্য হচ্ছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান আমিনুল ইসলাম প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘একটি বিয়েতে পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার দিলে বছর দশেক আগে ৫০ হাজার টাকার কম খরচ হতো। এখন ওই গয়না দিতে খরচ হয় আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা। মুখ রক্ষার জন্য অভিভাবকেরা এর ব্যবস্থা করেন।
গয়নার পাশাপাশি বেড়েছে শাড়ির দাম। বেনারসিপল্লির শাড়ি বিক্রেতারা বলেন, মধ্যবিত্তরা যে ধরনের শাড়ি কেনেন বিয়েতে, তার দাম ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ বেড়েছে। বেড়েছে খাবারের খরচ আর কমিউনিটি সেন্টারের ভাড়াও।
পল্টনের ‘আনন্দ ভবন’ কমিউনিটি সেন্টারের ব্যবস্থাপক কামাল হাসান জানান, আট-দশ বছর আগে ২০০ অতিথির জন্য অনুষ্ঠান করতে খরচ হতো ২৫ হাজার টাকা, এখন খরচ পড়ছে ৪৬ হাজার টাকা। আর খাবারের খরচও হয়েছে দ্বিগুণ। ওই কমিউনিটি সেন্টারের বাবুর্চি মোহাম্মদ বিল্লাল বলেন, ১০০ জনের খাওয়ার খরচ ৩০-৩৫ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৫০-৫৫ হাজার টাকা।
মুক্তির উপায় কী
বিয়ের খরচ নিয়ে বাংলাদেশের মতো ভুগছেন চীনের নাগরিকেরাও। তাঁরা এখন সমাধান খুঁজছেন। এ বছরের জুনে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে চীনের ফিন্যান্সিয়াল প্ল্যানিং স্ট্যান্ডার্ড বোর্ডের চেয়ারম্যান ফেং লুই বলেন, ‘বিয়েতে বিপুল অঙ্কের টাকা খরচ করাটা একটা বোকামি। যে টাকাটা খরচ হচ্ছে, সেটা জমিয়ে রেখে পরবর্তী সময়ে একটা বাড়ি করা, ইনস্যুরেন্স করা কিংবা বুড়ো বয়সের জন্য স্রেফ জমিয়ে রাখা যায়।’
চীনের লোকজন এখন নতুন ধরনের পরিকল্পনা করছে বিয়ে নিয়ে। অনেকে বিয়েটা নিবন্ধন করে বন্ধুবান্ধব নিয়ে ছোটখাটো পার্টি দিচ্ছেন, মেন্যু থেকে দামি সব খাবার বাদ দিয়ে সুস্বাদু কিন্তু কম খরচের খাবারের দিকে ঝুঁকছেন। যুক্তরাজ্যের দৈনিক গার্ডিয়ানের ফিচার লেখক হ্যাডলি ফ্রিম্যান এক পাঠকের প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, যা কিছু পরতে আরামদায়ক, বিয়েতে তা-ই পরা উচিত। কে কী ভাবল, তা না ভাবলেই চলে।
বাংলাদেশে এখনো মধ্যবিত্তরা বিয়ের অনুষ্ঠান করেন জাঁকজমকের সঙ্গে। সাময়িকভাবে অর্থ জোগান দিতে ব্যাংক রয়েছে। বেশ কিছু ব্যাংক এক থেকে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিচ্ছে, কিন্তু সে জন্য গুনতে হচ্ছে ১৬ থেকে ১৯ শতাংশ সুদ। তাঁরা কী আদৌ চীনের পথ বা হ্যাডলি ফ্রিম্যানের পরামর্শ নেবেন?
পাঠকের মন্তব্য
পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।
সাইনইন
মন্তব্য প্রদানের জন্য সাইনইন করুন
- Md. Zulfikar Ali২০১৩.০৭.২৪ ০৯:৪৮
- আমাদের ও একটা সমাধান খুজতে হবে। একটা কমিউনিটি সেন্টার ভাড়া করতে লাগে ২ থেকে ৫ লাখ। আসলেই বিয়েতে এত খরচ করাটা বোকামী ছাড়া কিছুনা।
- ২০১৩.০৭.২৪ ১০:০২
- আমি আকজন ভুক্তভুগি ......
- Mostaque Ahmed২০১৩.০৭.২৪ ১০:০৯
- বোকা নাকি! ১৬ থেকে ১৯ শতাংশ সুদএ ব্যাংক লোন নিয়ে বিয়ে! তাইতো গত বছর আগেই দশকে ঘরোয়া পরিবেশে ভাত পরিবেশন করে কাজটা সেরে নিয়েছি। সে কারনেই আজও পর্যন্ত অনেকের সাথে সম্পর্ক ভাল নেই । তবে আমি খুবই ভাল আছি এক ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে।
- ২০১৩.০৭.২৪ ১০:১৫
- আমি ১০০% একমত। কোনোমতেই ঋণ নিয়ে বিয়ের মতো জটিল কাজ করা উচিত নয়। আমিও ভুক্তভোগী রে ভাই। বুঝতেছি, কত ধানে কত চাল। আসলে কি, সামর্থ্য না থাকলে বিয়ে করাই উচিত নয়। বরং হাদিস অনুযায়ী, সারা বছর রোজা রাখাই ভালো।
- Sazzad Hossain২০১৩.০৭.২৪ ১০:১৯
- Nice Idea!, Let's follow China strategy!
- Apu kowsar২০১৩.০৭.২৪ ১০:১৯
- বিয়ে করলে পালিয়ে করবো ;
নয়তো বিয়ে করুম নাহ .......... - Md. Abul Kalam Azad২০১৩.০৭.২৪ ১০:৩১
- Ornaments cost is 60%, food cost is 25% and other 15%. So every boys must fight to avoid ornaments culture.
- ২০১৩.০৭.২৪ ১০:৫৮
- যাহ্, বিয়া করমুনা...।
- Apurbo২০১৩.০৭.২৪ ১১:০১
- বিয়ে করব খরচ করব না । বন্ধুবান্ধব নিয়ে ছোটখাটো পার্টি দিবু। আর যদি বন্ধুবান্ধব ছোট অনুষ্ঠান বলে অংশ গরহন না করে তো.... No problem.
- IBON২০১৩.০৭.২৪ ১১:০২
- বিয়া!!! তাও আবার ঋণ কইরা!!!
- M. Omar Khyam২০১৩.০৭.২৪ ১১:০৫
- এরশাদ সাহেবের সামরিক শাসন আমলে, একটা আইন প্রণীত হয়েছিল..... কোনো বিয়েতে ১০০ জনের বেশি লোক খাওয়ানো যাবে না. আমার মনে হয় ওই রকম কোনো আইন এই সময়ে খুব জনপ্রিয়তা পাবে.
- Muhammad Rokibuzzaman২০১৩.০৭.২৪ ১১:১১
- এইচ এস বি সি হতে ২,২০,০০০/= নিয়ে বিয়ে করেছি। সুদের হার ২০% । ৪ বছর মেয়াদী মাসিক কিস্তি ৭,১০০/= । নতুন বিয়ে, নতুন চাকরি, নিজের সংসার, অসুস্থ মা-বাবা , ছোট ভাইদের লেখাপড়া । সরকার বেতন না বৃদ্ধি না করলে আমরা কিভাবে চলবো তা বলে দিক।
- sohag২০১৩.০৭.২৪ ১১:২৭
- ঋণ করে বিয়ে করলে পরে সাধের বউকেও অসহ্য লাগে।
- ২০১৩.০৭.২৪ ১১:৪৯
- when i was reading this i went back to 2010. i was fall in love with someone who used to live in BD and i was in usa doing my masters in NYU. she was almost forcing me to merry her and i had no choice because of my emotion of love. I spent almost 26 thousand dollar to merry her in bd but most of money i did brow from my relatives. i bring her usa in 2012 and 2013 i filled a divorce because i realized she just married to came into usa and my mother in law and my wife was trying to separate me from my family and parents. i did my best to explain her which is not right to put me in that kind of condition. i can leave my parent that i explain millions of time but nothing worked out................Still i could n,t paid up my loan but almost paid up my relationship........I just need justice from God.
- mohammad monir hossain২০১৩.০৭.২৪ ১১:৫৩
- এত কষ্ট করেও লোকজন খাওয়ানোর পর শুনতে হয় এটা ভাল হয় নি, ওটা ভাল হতে পারতো। আমার বিয়েতে তাই স্থানীয় একটি এতিমখানায় এক বেলার খাবার দিয়ে দোয়া চেয়েছি আর কাউকে বলিনি। বন্ধু- বান্ধব আর আত্মীয় রা একটু অভিমান করলেও পরে মেনে নিয়েছে। আমার মতে বিয়ের মত একটি অনুষ্ঠানে আল্লাহর সন্তুষ্টই আসল, লোক দেখানো জমকাল আয়োজন নয়।
- Shadmanul Anwar Khan (Evan)২০১৩.০৭.২৪ ১১:৫৯
- আমরা জিম্মি এই চাকরির বাজারে। উত্তরন এর কি কোন উপায় নাই????
- Syed Abdul Awal২০১৩.০৭.২৪ ১২:২০
- ১০০% বাস্তব! আমিও একজন ভুক্তভোগী।
- Shaikh Shahidur Rahman২০১৩.০৭.২৪ ১২:২২
- ঋণ করে বিয়ে করলে পরে সাধের বউকেও অসহ্য লাগে।
‘বিয়েতে বিপুল অঙ্কের টাকা খরচ করাটা একটা বোকামি। যে টাকাটা খরচ হচ্ছে, সেটা জমিয়ে রেখে পরবর্তী সময়ে একটা বাড়ি করা, ইনস্যুরেন্স করা কিংবা বুড়ো বয়সের জন্য স্রেফ জমিয়ে রাখা যায়।’ - Dipak Kumer dey২০১৩.০৭.২৪ ১২:২৪
- আরে ভায় ভালবেসে চুপি চুপি বিয়ে করা ভাল
- saddam hossain২০১৩.০৭.২৪ ১২:২৬
- পরিবারের সম্মতি নীয়ে পালিয়ে বিয়ে করলে সব সমস্যা সমাধান হয়ে যায় । রিকশা খরচ , এক প্যাকেট মিষ্টি, আর কাজি সাহেবের ফ্রি .... ব্যাস ডু ফুরতি ।
- ২০১৩.০৭.২৪ ১২:৩১
- man should aware of to do marriage..
- Ayub২০১৩.০৭.২৪ ১২:৩২
- ধন্যবাদ। আমার জন্য এই পরামর্শটা পুরানো। কারণ গত দশ বছর ধরে আমি আমার পরিচিত বিবাহ প্রার্থীদের এই পরামর্শটিই দিয়ে আসছি। বলেছি- কোন অনুষ্ঠানের দরকার নেই। তবুও কেউ কেউ কলার ঝাকিয়ে করেছে। পরে আবার আমার কাছে এসে অনুতপ্ত হয়েছে। এখনো আমার খালাত ভাই সুমন সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে। স্বজনদের পামে পড়ে একবার বলে করবো, আবার বলে করবো না। এনিয়ে বহুবার আমার পরামর্শ নিয়েছে। আমার একই কথা- দরকার নেই। তবুও সে দ্বিধায় আছে। কাজেই যে যা বলে বলুক বন্ধু, নিজে বাঁচলে বাপের নাম। কে কি ভাবলো ভাবুক, নিজের কথা নিজেকেই ভাবতে হবে। কাজেই অনুষ্ঠান করে অর্থ জলে না ঢেলে বিরত থাকো, মঙ্গল হবে।
- Masum saifullah২০১৩.০৭.২৪ ১২:৪৪
- I am also a victim of marriage
- Md. Saifuddin২০১৩.০৭.২৪ ১২:৫৭
- টাকা নাই। বিয়ে করাটা কি খুবই জরুরী ?
- Tonmoy২০১৩.০৭.২৪ ১২:৫৮
- বিয়ের অনুষ্ঠানকে আমরা নিজেরাই (বর ও কনে পক্ষ) খরচে ব্যাপারে পরিণত করেছি। এখন আমাদেরকেই ভুগতে হচ্ছে!
- Md. Aliuzzaman২০১৩.০৭.২৪ ১২:৫৯
- আমরা শুধু বিয়েতে আনন্দ করতে ভাল বাসি কেন আরো তো আনেক ভাল কাজ আছে । এরশাদ সাহেবের সামরিক শাসন আমলে, একটা আইন প্রণীত হয়েছিল..... কোনো বিয়েতে ১০০ জনের বেশি লোক খাওয়ানো যাবে না , ওই রকম কোনো আইন ই আমাদের প্রিয়.
- Sheikh Towhiduzzaman২০১৩.০৭.২৪ ১৩:১১
- আমি জানতাম না যে আজকে আমার মনের কথা প্রথম আলো তে প্রকাশ পাবে|
আমি ও একজন ঋণ ভুক্তবোগী| ঋণ নিয়ে ছিলাম বিয়ে করার জন্য দুবাই এর
নাম করা ব্যাঙ্ক থেকে| আমার ও কিছু প্লান ছিল| কিন্তু কিছুর কিছু হলনা সব
চেয়ে কষ্টের বেপার এই ঋণ আমাকে সম্পর্ণ পঙ্গু করে দিয়েছে| ১ বছর ৬ মাস
অতিবাহিত হয়েছে আরো ১ বছর ৬ মাস বাকি আছে জানি না দিন কি ভাবে যাবে| - মাসুম২০১৩.০৭.২৪ ১৩:১৩
- বর্তমানে যেই অবস্থা, বিয়ে করার সামাজিকতা রক্ষা করতে হলে নিজের কিডনী বিক্রি করে অনুষ্ঠানের খরচাপতি যোগার করার মতন পরিস্থিতি। সবথেকে ভালো হয় ধর্মীয় উপাসানালায়ে গিয়ে বিয়ে পড়ে অতিথি ডেকে হালকা আতিথিয়তা, শুধু শুধু লাখ লাখ টাকা খরচ করে বিয়ের অনুষ্ঠান করার কোন প্রয়োজনীয়তাই নেই। আমি আমার কাছের একজনকে দেখেছি ওনার মেয়ের বিয়ে দেয়ার সময় এপার্টমেন্ট বিক্রি করে মুম্বাই না দুবাই কোথা থেকে মার্কেট করে বিশাল ধুম-ধাম করে বিয়ে দিলেন, কিন্তু এখন মেয়ে আর মেয়ের জামাইয়ের ক্ষোভের শেষ নেই, এপার্টমেন্ট বিক্রি কেন করা হল শুধু এই বিয়ের খরচ পোষাবার জন্য!
- MD. KAWSER MIA২০১৩.০৭.২৪ ১৩:১৯
- কি দরকার এই আজাইরা খরচের ...। আমি বিয়ে করব খুব সাদামাটা ভাবে । টাকা জমিয়ে বউরে নিয়া থকবো সুখে । আর বিয়েতে অযথা খরচ ইসলাম নিরুতসাহিত করে ।
- ২০১৩.০৭.২৪ ১৩:২৪
- নিজের গোয়ালের গরু মেরে শুকুন কে খায়ানোর কোন মানে হয়না।
- ২০১৩.০৭.২৪ ১৩:২৭
- বিয়েতে কতিপয় ফালতু খরচ---
জমকাল দামি শাড়ি, ভারী গয়না যা শুধু বিয়ের দিনই পরা হয়। হলুদের অনুষ্ঠান। বিয়ের অনুষ্ঠানের স্টেজ বাহারী ফুল দিয়ে সাজানো। বিয়ের গাড়ী সাজানো। গেটে বরকে আটকে মোটা অংকের টাকা খসানো। বরের হাত ধুয়ে দিয়ে কম টাকা খসানো হয় না। - Ataur Rahman২০১৩.০৭.২৪ ১৩:৩৩
- Nice topics. Thanks
- Shafique (shafiepz@yahoo.com)২০১৩.০৭.২৪ ১৩:৪৫
- গনি মিয়া একজন কৃষক।তার নিজের জমি নাই। অন্যের জমিতে চাষ করে অভাবের সংসার চালান। কারণ তিনি ইতিপূর্বে ঋণ করে অতি ধুমদাম করে ছেলেকে বিয়ে দিয়েছেন। এখন জীবনের বাকি সময়টা স্বশ্রম কারাদন্ডে ভুগছেন। যারা এ গপ্লটি জানেন তারা নিশ্চই ঋণ করে বিয়ে করবেন না।
- M A Alam২০১৩.০৭.২৪ ১৩:৫২
- বিয়ে আসলে আনন্দ এবং জীবনের জন্য অত্যন্ত এক সুন্দর অনুভুতি বয়ে আনে.... কিন্তু এখন আমার মতো মধ্যবিত্তদের বিয়ে মানে হচ্ছে বুকে কষ্ট নিয়ে কিশোর কুমারের নিম্নের গান গাওয়া। আর যারা আছি প্রবাসে তারাতো একদম শেষ, বিয়ে করে না পেয়েছি বউ না সংসার, পরিবারের আজ এই সমস্যা কাল আরেকটা পরশু .... এভাবে চলতে চলতে
চোঁখের জলের হয়না কোনো রং
তবু কতো রঙের ছবি আছে আঁকা
দেখতে গিয়ে হারিয়ে গেলাম
গহীন আঁধার পথে আঁকা বাঁকা।
স্বপ্ন দিয়ে মনকে আমি ভূলিয়ে গেলাম রেখে
তবু কেমন করে কান্না এতো এলো কোথা থেকে
ভূলে ভরা সবুজ মনের আকাশ ধোঁয়ায় ঢাকা। - Ishtiaq Durjoy২০১৩.০৭.২৪ ১৪:১২
- বিয়ে না করলে কি কোনো প্রবলেম?করলে পালিয়ে।সব টাকা বাইচা যাইব।
- shumon২০১৩.০৭.২৪ ১৪:৩১
- অনেকগুলি কমেন্ট দেখলাম, যারা ভুক্তভোগী তাদের জন্য সমবেদনা জানানো ছাড়া আমাদের আসলে তেমন কিছু করার নেই। যারা এখনও দোটানায় ভুগছেন, তাদের সুভবুদ্ধির উদয় হোক এটাই কামনা করি। একটা ব্যাপার খেয়াল করলাম, এতগুলি কমেন্টের মাঝে একটিও নারীর কমেন্ট দেখছি না। তাদের মতামত পেলে মনে হয় ব্যাপারটা একটু ভালো হোতো। তারাও যদি আমাদের মতো ভাবতেন তাহলে কিন্তু অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত। আফটার অল, মিয়া বিবি রাজী থাকলে কাজীদের তেমন কিছু করার থাকে না।
- Zakir২০১৩.০৭.২৪ ১৪:৪৫
- সুনদর বিষয়। অভিভাবকরা পড়লে সবচেয়ে ভাল। কারন ছেলে মেয়ের হাতে কিছু থাকে না। এর জন্য সামাজিক সচেতনা দরকার।
- Shamim Rahman২০১৩.০৭.২৪ ১৪:৪৭
- বর্তমানে আমাদের অর্থনীতির যে অবস্থা, তাতে মনে হয় আবার আইন করেই বিয়ের এই আচার আয়োজন বন্ধ করতে হবে। যারা এখনো বিয়ে করেননি, তাদেরকে পরামর্শ দিবো যাতে বিয়েতে অতিশয় খরচ না করে সেই টাকা জমিয়ে রাখে। ভবিষ্যতে সেই টাকাই অনেক উপকারে আসবে।
- md. shaheen mia২০১৩.০৭.২৪ ১৪:৫৯
- মনে হচ্ছে কোথায় যেন একটি তার ছিড়ে গ্যাছে। না হলে বিয়ে করতে গিয়ে বর্তমান যুগে অর্থের কথা চিন্তা করে- এদের বিয়ে না করাই উচিৎ। যখন এ দেশের মানুষ আরও অনেক গরীব ছিল তখনো বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে ভাবত না । তারা ভাবত বিয়ে অনুষ্ঠানে কাউকে খাওয়ানো মানে একটি পবিত্র আনন্দ, এত পূণ্য হয়। বিয়েটা মজবুত হয়। অথচ এখন দামী দামী চাকরী করে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা করতে গিয়ে নিজেকে ফতুর মনে করেন। আসলে এরা মানুষকে খাওয়াতে চায় না। অন্য সব জাজে খরক ঠিকই করে। প্রতিবেদন টা ঠিক যুৎসই আইটেমের হয়নি। হয়ত বা আমার লেখাটি ছাপা হবে না।
- golam atawer dider২০১৩.০৭.২৪ ১৫:০১
- আমি নিজে বিয়া করুম না আরে আমার পুলা রে অ বিয়া করামুনা
- shafiqul islam২০১৩.০৭.২৪ ১৫:২৮
- তাবলিগের ময়দানে বিয়ে করব । ৌতুক বিহিন ও ফালতু খরচ বিহিন..
- asadullah২০১৩.০৭.২৪ ১৫:৩০
- বিয়ে করতে এত লাগবে কেন যার যা আছে তা দিয়েই হবে টাকা নাই জাকজমক লাগবে কেন । ইসলামে এমন বিয়ের কথা বলে নাই । আমাদের দেশের লুক বেশি ... ।
- Salim Uddin২০১৩.০৭.২৪ ১৫:৪৪
- একটাই সমাধান -প্রেম করে পালিয়ে বিয়ে করবো! টাকা পয়সার এতো চিন্তা করার সময় আছে ?
- Syed Nurul Islam২০১৩.০৭.২৪ ১৫:৫৫
- বিবাহ সহজ করা জরুরি । ইসলামে বিবাহ কে সহজ করা হয়েছে। কিন্তু আমরা বিবাহ কে কঠিন করে ফেলছি । বিশ্ব ইজতিমার মাঠে দেখেন্ না ? কত সাদাসিদে বিয়ে হয় ।
- অমি আজাদ২০১৩.০৭.২৪ ১৫:৫৬
- একটা জিনিস সাংবাদিক মিস করে ফেলেছেন। বিয়েতে পার্লারে সাজার খরচ, শুধু মেহেদী করতেই লাগে ১০ হাজার টাকা, অন্যান্য কনে সাজ শুরু হয় ২০ হাজার থেকে...
- anowar ullah chowdhury২০১৩.০৭.২৪ ১৬:০১
- কোট ম্যরেজ করেছি বলে ১০ বছর পর বৌয়ের আজ ও সেই আপসোস গেল না। সে সময় আর্থিক সন্কটের কারনে গায়ে হলুদ,বৌভাত,হানিমুন,গয়নাঘাটি,,, ঝমকালো সব আয়োজন কিছুই হলো না। পুলিশ অফিসার শশুরের ভয়ে ৫ বছর আত্নগোপনে, তারপর ৫ বছর প্রবাসে আজো দুই পরিবারের মিলন ঘটল না। কি নেই আমার , টাকা, ভালোবাসা, ৮ বছরের অতি আদরের একমাত্র সন্তান , পরিবারের সবার অফুরন্ত ভালোবাসা । কিন্তু তারপর ও বৌয়ের সেই আপসোস, কিছুই তো হলো না....।এমাঝে মাঝে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে উঠে এমন হবে জানলে লাভ…মাঝে... মাঝে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে উঠে এমন হবে জানলে লাভ... ই করতাম না। আজ শুধু তাকে এটুকু বলে সান্তনা দিই শুধু টাকা থাকলেই মানুষের জীবনে সব সময় ,সব চাওয়া- পাওয়া পূর্ন হয়না । এসো অতীতের না পাওয়ার কষ্টকে ভুলে বর্তমান এবং ভবিষৎ এর অফুরন্ত ভালোবাসায় জীবন এবং ভালোবাসাকে স্বার্থক করে তুলি।
- Nur Md. Azizul Haque২০১৩.০৭.২৪ ১৬:১২
- কাজী অফিসে বিয়ে করেন। কাজীর খরচ ছাড়া আর কোন খরচ হবে না।
- Sarwar Hossen২০১৩.০৭.২৪ ১৬:১৩
- আমি ভাই লোন করে জমি কিনেছি আর বিয়ে করেছি পালিয়ে। তাতে যা মনে হচ্ছে......... খারাপ করিনি।। তবে লোন করে বিয়ে করাটা বোকামু ছাড়া আর কিছুই নয়। তাছাড়া বিয়েটা এমনিতেই একটা লস প্রোজেক্ট..........। লোন করে বিয়ে করা মানে দুটো বিয়ে করা।
- জাকির হোসেন - অন্যদৃষ্টি২০১৩.০৭.২৪ ১৬:২৬
- বিয়ে কারো পৌষ মাস কারো সর্বনাশ।
- AMIR HOSSAIN২০১৩.০৭.২৪ ১৬:৩৯
- এ জন্যই তো বিয়ে করতেছিনা... আহারে কবে যে বিয়ে করব :(
- MD. ABDUL BARI২০১৩.০৭.২৪ ১৬:৫৩
- মনির ভাই, আপনি সঠিক বলেছেন/ আপনাকে ধন্যবাদ।আমার বিয়েতে খরচ করছি,এখন দেখছি না করলেও ভালো হতো।
- shah aktaruzzaman২০১৩.০৭.২৪ ১৭:০০
- খুব সুন্দর ধারণা আমাcদর ব্যয় কমােনা দরকার ।
- ২০১৩.০৭.২৪ ১৭:০১
- লোনে লোন বাড়ে এই কথা ১০০% সঠিক ্ কিন্তু বিয়ের ক্ষেত্রে ২০০% সঠিক। যেটি আমার মত অনেকে ভুক্তভোগী । কোনোমতেই ঋণ নিয়ে বিয়ের মতো জটিল কাজ করা উচিত নয়।
- Tawfiq২০১৩.০৭.২৪ ১৭:১৬
- Prothomalo!Please publish a detailed article for raising awareness to reduce expenditure in marriage ceremonies.Bangladesh is a Muslim country so living together is not socially accepted.So, a boy and a girl need to get married to live jointly and also meet their natural requirement.But the society makes it tougher for them by demanding huge expenditure and gorgeous marriage ceremonies.Exchanging gold does not exists in rich western societies so why a developing country like Bangladesh needs to face it? If unanimously people agree to ease the tradition, a lot of young men and women will be relieved.
- আল-আমিন২০১৩.০৭.২৪ ১৭:২৬
- আমরা যারা অববাহিত, এখন তাদের কি হবে?মানুষ বিয়ে একবার ই করে, কাজেই, ছেলেরা চাই না, কোন কিছুর কমতি হোক।অপরদিকে মেয়েরা ও কি ছাড় দিবে? হাজার হোক, কিছু "শো অফ" এর ব্যাপার তো থাকেই। সমস্যা হল আমাদের আর্থিক সামর্থ্য এর অভাব। আমি বলবো, ছেলে-পক্ষ, মেয়ে-পক্ষ উভয়কেই ছাড় দেওয়ার মন মানসিকতা থাকতে হবে।কারণ, বিয়ে হচ্ছে জীবনের সবচেয়ে বড় অ্যাগ্রিমেন্ট, একজন আরেকজনের পাশে আজীবন থাকার শপথ।
- Md. Elias২০১৩.০৭.২৪ ১৭:৩৮
- যে বিয়েতে যত বেশী খরচ হয় সে বিয়েতে বরকত খাকে না। সমস্যা লেগেই খাকে আর ইসলাম কত সহজ করে দিয়েছে মুসলমানের বিয়েকে। মানলে কতই না সহজ হবে জীবনটা।
- Shahidul২০১৩.০৭.২৪ ১৭:৪৩
- ভাই একবছর আগে এই প্রতিবেদনটি করেন নি কেন ? তাহলে আমাকে আজ এত হিমশিম খেতে হত না ! হায়রে হতভাগা আমি !!
- ২০১৩.০৭.২৪ ১৭:৪৯
- হবু শ্বশুরের যদি বোধোদয় হয় তাহলে এ প্রতিবেদন সার্থক এবং আমার এ অনিশ্চিত ভবিষ্যতের জন্য দোয়া করবেন..............
- Mohammed Khan২০১৩.০৭.২৪ ১৮:২১
- বাংলাদেশে যে ভাবে বিয়ের অনুষ্ঠান হয় তা অনৈসলামিক। বিয়েটাও খুব সহজ। বর কনেকে মোহর উল্লেখ করে বিয়ের প্রস্তাব দিবেন কনে রাজি বললেই দুজন মুসলমান সাক্ষী থাকলে বিয়ে হয়ে যাবে এবং বিয়ের দলিল করতে হবে। পরের অংশটা সমাজে ঘোষনা দিতে হবে। এটা খাওয়া দাওয়ার মাধ্যমে হতে পারে (ওয়ালিমা বা উচ্চ কন্ঠে ঘোষনা করা) । কিন্তু ঋণ করে অনুষ্ঠান করার কথা হাদিসে উল্লেখ করা নাই বরঞ্চ সাধ্য অনুযায়ী ওলিমার কথা বলা আছে। মোহরও বরের আয় ও কন্যার সামাজিক মর্যাদার ভিত্তিতে হবে। কন্যা বিয়ের সময় স্বাধীন বা অবিবাহিত হতে হবে ও বরের বিয়ের সময় তিনিটার অধিক স্ত্রী থাকতে পারবে না।
- ২০১৩.০৭.২৪ ১৮:২৩
- আল্লাহর নবীর সুন্নত মেনে চলুন খরচ কমে যাবে ইনশাল্লাহ.। প্রতিবছর তাবলীগের এস্তেমা তে বিয়ে করুন.। মোহরানা র টাকা আর ২- ৩ কেজি খেজুর.. এর চেয়ে কম খরচে বিয়ে সম্ভব নয়...
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন